Posts

আলোয় সাজবে মাথাভাঙা শহরের পথঘাট

Image
ইউবিএন :   গ্রিন সিটি মিশন ও মাথাভাঙা পুরসভার যৌথ উদ্যোগে নতুন কলেবরে সাজছে মানসাই, সুটুঙ্গা ঘেরা মাথাভাঙা শহর। সন্ধ্যা নামলে ঝলমল করবে শহরের প্রধান প্রবেশপথ। বাহারি আলোয় সাজিয়ে তোলার পরিকল্পনা চূড়ান্ত হয়েছে। সেই অনুযায়ী প্রয়োজনীয় নতুন বাতিস্তম্ভ শহরে এসে পৌঁছেছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে তা বসানোর কাজ শুরু হবে। পুরসভার সূত্রে জানা গিয়েছে, পচাগড় থেকে সুটুঙ্গা সেতু হয়ে মাথাভাঙা হাই স্কুল পর্যন্ত এবং কলেজ মোড় থেকে আব্বাসউদ্দিন সেতু, শনি মন্দির হয়ে পোস্টঅফিস মোড় পর্যন্ত রাস্তার দু'ধারে বসানো হবে বাতিস্তম্ভ। দীর্ঘ দিন ধরে সন্ধ্যার পর এই রাস্তায় আলো কম থাকার অভিযোগ ছিল। বর্ষা বা কুয়াশার রাতে পথ চলতে সমস্যায় পড়তেন সাধারণ মানুষ। দুর্ঘটনার আশঙ্কাও থাকত। এ বার শুধু আলো নয়, নান্দনিক নকশায় তৈরি এই বাতিতে শহরের সৌন্দর্য অনেকটাই বাড়াবে বলে আশা পুর-প্রশাসনের। এ বিষয়ে পুরপ্রধান প্রবীর সরকার বলেন, "গ্রিন সিটি মিশনের লক্ষ্য শুধু পরিবেশবান্ধব শহর গড়া নয়, শহরের সৌন্দর্য ও নাগরিক নিরাপত্তা দু'টিকেই গুরুত্ব দেওয়া। এই আলোকসজ্জার ফলে রাতের বেলায় রাস্তাগুলি যেমন আরও নিরাপদ হবে, তেমনই ম...

মুখ্যমন্ত্রীর শুভেচ্ছা ও উপহার সামগ্রী তুলে দেওয়া হল ভাওয়াইয়া শিল্পী মনীন্দ্র বর্মনের হাতে

Image
মাথাভাঙা, নিজস্ব সংবাদদাতা: তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে এবং মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শুভেচ্ছাবার্তা নিয়ে, শীতলকুচি বিধানসভার মাথাভাঙা ১ ব্লকের নয়ারহাট গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার পানিগ্রামে উপহার সামগ্রী তুলে দেওয়া হল বিশিষ্ট ভাওয়াইয়া শিল্পী ও সমাজের বিশিষ্ট নাগরিক মনীন্দ্র বর্মনের হাতে। এদিন তৃণমূল কংগ্রেস নেতা পার্থপ্রতিম রায় মনীন্দ্র বর্মনের হাতে মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর শুভেচ্ছাপত্র, উত্তরীয়, পাশাপাশি রাজ্য সরকারের ‘উন্নয়নের পাঁচালি’ ও ‘উন্নয়নের সংলাপ’ শীর্ষক পুস্তিকা সহ বিভিন্ন উপহার সামগ্রী তুলে দেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মনীন্দ্র বর্মন দীর্ঘদিন ধরে ভাওয়াইয়া লোকসংগীত চর্চার মাধ্যমে উত্তরবঙ্গের সংস্কৃতিকে তুলে ধরেছেন। তাঁর শিল্পীসত্তা ও সামাজিক দায়বদ্ধতা সকল মহলে প্রশংসিত। এদিন তাঁর আন্তরিক আতিথেয়তায় উপস্থিত সকলে মুগ্ধ হন।যদিও রাজ্য সরকারকে বিঁধে বেশকিছু উত্তরের মনীন্দ্রের গান নিয়ে শাসকদলের রোষের মুখেও পড়তে হয়।  মনীন্দ্র বর্মন জানান, আগামীদিনে তিনি মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্ন...

বিদ্যুৎ সংযোগের দাবিতে ধর্ণা নিশিগঞ্জের তরুণের

Image
ইউবিএন: দুবছর ধরে বারবার আবেদন করেও বাড়িতে মিলেনি বিদ্যুৎ সংযোগ।মঙ্গলবার দুপুরে তাই মাথাভাঙ্গার বিদ্যুৎ বন্টন কোম্পানির অফিসের সামনে হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে ধর্না দিলেন নিশিগঞ্জ ১ গ্রাম পঞ্চায়েতের ভোজনেরছড়া গ্রামের এক তরুণ।আর এই ঘটনায় শোরগোল পড়ে যায় গোটা এলাকায়।সামাজিক মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে তরুণের প্রতিবাদ কর্মসূচি।অবশেষে বিদ্যুৎ বন্টন কোম্পানির আধিকারীকরা দ্রুত সমস্যার আশ্বাস দিলে অনশন তুলে নেন ওই তরুণ।      প্রসেনজিৎ মন্ডল নামে ওই তরুণের অভিযোগ,'দাদার সংসার থেকে পৃথক হওয়ায় দুবছর ধরে বাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগ নেই।বিদ্যুতের নতুন মিটারসহ সংযোগের জন্য আবেদন করেও কাজ হয়নি।কখনও বলা হয় জমির এফিডেভিট জমা দিতে ,কখনও বলা হয় আলাদা বাড়ির প্রমান করতে পাকা দেওয়াল তুলতে।'ওই তরুণ জানান,'দিন মজুরি করে পাকা দেওয়াল তৈরির সামর্থ নেই।পাটকাঠির বেড়া দিয়েছি ।স্ত্রী ও সন্তান নিয়ে চরম অসুবিধায় আছি।তাই নিরব প্রতিবাদে শামিল হয়েছি।      মাথাভাঙ্গার বিদ্যুৎ বন্টন কোম্পানির আধিকারিক দেবজ্যোতি দেব দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়ায় ধর্না তুলে নেন ওই তরুণ।

প্রিতমের ৪৯ রানে ,২০১০ ব্যাচ ফাইনালে

Image
  ইউবি ডেস্ক:  নিশিগঞ্জ নিশিময়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের রিইউনিয়ন ক্রিকেটে রবিবার জমজমাট লড়াইয়ের সাক্ষী থাকল মাঠ। শক্তিশালী পারফরম্যান্সে লেজেন্ডস ২০১০ ব্যাচ ৮ উইকেটে পরাস্ত করল ডেক্যান্ড ডমিনেটর্স ২০১১ ব্যাচকে। টসে জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় লেজেন্ডস। ব্যাট করতে নেমে ডেক্যান্ড ডমিনেটর্স নির্ধারিত ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে সংগ্রহ করে ৮৬ রান। লেজেন্ডসের বোলারদের নিয়ন্ত্রিত আক্রমণে বড় রান তুলতে ব্যর্থ হয় প্রতিপক্ষ। জয়ের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে খেলতে থাকে লেজেন্ডস ২০১০ ব্যাচ। মাত্র ৭.৫ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যমাত্রা টপকে যায় তারা। ব্যাট হাতে দুরন্ত ইনিংস খেলেন প্রীতম মালাকার—৪৯ রানের ঝোড়ো ইনিংসে ম্যাচের সেরার শিরোপা ছিনিয়ে নেন তিনি। এই জয়ের ফলে লেজেন্ডস ২০১০ ব্যাচ ফাইনালে জায়গা করে নিল। আগামী ২১ জানুয়ারি ফাইনালে তাদের মুখোমুখি হবে আনবিটেন ২০১৬ ব্যাচ। রিইউনিয়ন ক্রিকেটের শিরোপা কার হাতে উঠবে, তা নিয়ে এখন থেকেই বাড়ছে উত্তেজনা।

রূপমের শতরান, ম্যাচ জিতল ২০১০ ব্যাচ

Image
 নিজস্ব প্রতিনিধি:  নিশিগঞ্জ নিশিময়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের রিইউনিয়ন ক্রিকেটে সুপার সিক্সের দ্বিতীয় ম্যাচে উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে লেজেন্ডস অফ ২০১০ ব্যাচ ইউনাইটেড ফাইটার্স ২০০৮ ব্যাচকে পরাজিত করেছে। লেজেন্ডস অফ ২০১০ ব্যাচ প্রথমে ব্যাট করে ১ উইকেট হারিয়ে ১৬২ রান সংগ্রহ করে। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ইউনাইটেড ফাইটার্স ২০০৮ ব্যাচ মাত্র ৯.৫ ওভারে ৯৫ রানে অলআউট হয়ে যায়। এই জয়ে লেজেন্ডস অফ ২০১০ ব্যাচের অপরাজিত ১০৪ রানের ব্যাটিং অবদান রাখেন রূপম বর্মন, যিনি ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন।

“এই মাটিতে জন্ম, তবু নোটিশ! কোচবিহারে ক্ষোভ উগরে দিলেন অভিষেক”

Image
কোচবিহার: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে উত্তরবঙ্গের রাজনৈতিক ময়দান উত্তপ্ত করে তুললেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার কোচবিহারের ঘুঘুমারির কদমতলায় জনসভা থেকে বিজেপির বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানিয়ে তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানালেন—বিজেপিকে জেতালে সাধারণ মানুষ নিজেদের মৌলিক অধিকার থেকেই বঞ্চিত হবেন। সভা মঞ্চ থেকে অভিষেকের আক্রমণের কেন্দ্রে ছিল অসমের ‘ফরেন ট্রাইব্যুনাল’ ও ‘এসআইআর’ ইস্যু। তাঁর অভিযোগ, কোচবিহারের মানুষকে বিজেপি শুধু বঞ্চনাই করেনি, বরং নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলে অপমানের রাজনীতিও করছে। তিনি বলেন, “যাঁদের জন্ম, বেড়ে ওঠা এবং কর্ম এই বাংলার মাটিতে, তাঁদেরই অসমের ট্রাইব্যুনালের নোটিশ পাঠানো হচ্ছে। কোন সাহসে বাংলার মানুষকে তাড়ানোর হুমকি দেওয়া হয়?” এসআইআর প্রক্রিয়াকে ‘অপরিকল্পিত ও অমানবিক’ আখ্যা দিয়ে অভিষেক দাবি করেন, এই ব্যবস্থার জেরে রাজ্যে আগেও বহু মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। যাঁরা শুনানির নোটিশ পেয়েছেন, তাঁদের ভোটাধিকার ও নাগরিকত্ব রক্ষায় তৃণমূল সর্বাত্মক লড়াই করবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি। বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে একহাত নিয়ে অভিষেক স্মরণ...

বাংলায় টার্গেট ঠিক করে দিলেন অমিত শাহ

Image
ইউবি ডেস্ক: ২০২১ সালে ‘এবার দো শো পার’ স্লোগান মুখ থুবড়ে পড়লেও লক্ষ্যচ্যুত হতে রাজি নয় বিজেপি। আসন্ন ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে ফের বাংলায় ২০০ আসনের টার্গেট বেঁধে দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। রাজ্যে তিন দিনের সফরে এসে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, সংগঠন মজবুত করাই এখন বঙ্গ বিজেপির প্রধান লক্ষ্য। এদিনের বৈঠকে বিশেষ গুরুত্ব পায় ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্র। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত এই কেন্দ্রে ২০১১ সাল থেকে টানা তৃণমূলের জয়। ২০১৬ ও ২০২১—দুইবারই এখান থেকে বিপুল ভোটে জিতেছেন মমতা। তাই এই ‘হেভিওয়েট’ কেন্দ্র এবার বিজেপির পাখির চোখ। বৈঠকে অমিত শাহ বলেন, “৩ আসন থেকে যদি ৭৭ আসনে পৌঁছানো যায়, তবে ৭৭ থেকে ২০০ কেন নয়?” একই সঙ্গে তিনি বাড়ি-বাড়ি গিয়ে জনসংযোগ বাড়ানোর নির্দেশ দেন। সপ্তাহে চারদিন এলাকায় সময় দেওয়া ও সংগঠনে সক্রিয় থাকাকেই টিকিট পাওয়ার শর্ত বলে জানিয়ে দেন শাহ। সংগঠন জোরদার করতেই দিলীপ ঘোষকে ফের সক্রিয় ভূমিকার ইঙ্গিত মিলেছে।